শহুরে কৃষিকাজ আজকাল বেশ জনপ্রিয়, তাই না? নিজের হাতে সবজি ফলানো, ছাদবাগানে একটু সবুজের ছোঁয়া – ভাবতেই মনটা ভরে যায়। কিন্তু শুধু ভালো লাগলেই তো হবে না, এর একটা বিজ্ঞানসম্মত দিকও আছে। আর সেই বিজ্ঞানসম্মত দিকটা জানতে, আরও ভালোভাবে নিজের বাগানকে পরিচর্যা করতে, দরকার একটা ভালো গাইডেন্স। তাই শহুরে কৃষিকাজ ব্যবস্থাপনার একটা ভালো কমিউনিটি থাকলে কেমন হয়, যেখানে সবাই একসাথে শিখতে ও শেখাতে পারে?
আমি যখন প্রথম শুরু করেছিলাম, তখন অনেক সমস্যায় পড়েছিলাম। কোথায় ভালো বীজ পাবো, কোন সারের কি কাজ, কখন জল দিতে হবে – এইসব নিয়ে প্রচুর confusion ছিল। তখন যদি একটা community পেতাম, যেখানে অভিজ্ঞ लोगজন তাদের অভিজ্ঞতা share করত, তাহলে আমার অনেক সুবিধা হতো।আজকাল AI এর যুগে, সবকিছু খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। নতুন নতুন টেকনিক আসছে, যা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। তাই একটা আপডেটেড কমিউনিটি, যেখানে लेटेस्ट ट्रेंड এবং ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হবে, সেটা খুবই দরকার।আসুন, এই বিষয়ে আরও পরিষ্কার ধারণা পেতে, নিচের লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়া যাক।
শুরুটা কিভাবে করবেন, সেই নিয়ে কিছু টিপস
শুরুটা কিভাবে করবেন, সেই নিয়ে কিছু টিপস

শহুরে কৃষিকাজ শুরু করার আগে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। প্রথমত, আপনার বাড়ির আশেপাশে কতটা জায়গা আছে, সেটা দেখা দরকার। ছাদ, বারান্দা, নাকি জানলার ধারে – কোথায় আপনি আপনার বাগান তৈরি করতে চান, সেটা ঠিক করতে হবে।তারপর আসে মাটি আর বীজের কথা। ভালো মানের মাটি আর বীজ আপনার বাগানকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। আজকাল অনেক নার্সারিতে ভালো মাটি আর বীজ পাওয়া যায়। আপনি চাইলে অনলাইন থেকেও অর্ডার করতে পারেন।আর হ্যাঁ, শুরুটা সবসময় ছোট করে করাই ভালো। প্রথমে অল্প কিছু গাছ দিয়ে শুরু করুন। যখন দেখবেন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে, তখন ধীরে ধীরে গাছের সংখ্যা বাড়াতে পারেন।
কোন গাছগুলো দিয়ে শুরু করা ভালো?
শুরুতে কিছু সহজ গাছ দিয়ে শুরু করা ভালো। যেমন, পুদিনা, ধনে, টমেটো, লঙ্কা – এইগুলো খুব সহজে বেড়ে ওঠে।* পুদিনা: পুদিনা গাছ খুব সহজে লাগাতে পারেন। এর জন্য তেমন কোনো যত্নেরও প্রয়োজন হয় না।
* ধনে: ধনে গাছও খুব সহজে বেড়ে ওঠে। এটা প্রায় সব রান্নাতেই লাগে।
* টমেটো: টমেটো গাছ একটু বেশি যত্নের প্রয়োজন হয়, তবে এটা লাগাতে পারলে খুব ভালো লাগে।
* লঙ্কা: লঙ্কা গাছও খুব সহজে বেড়ে ওঠে। এটা আপনার রান্নাকে আরও স্পাইসি করে তুলবে।
| গাছের নাম | যত্নের প্রয়োজন | উপকারিতা |
|---|---|---|
| পুদিনা | কম | হজম ক্ষমতা বাড়ায়, রান্নায় ব্যবহার করা যায় |
| ধনে | কম | রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ভিটামিন সি থাকে |
| টমেটো | মাঝারি | ভিটামিন ও মিনারেলস আছে, সালাদে ব্যবহার করা যায় |
| লঙ্কা | কম | রান্নায় ঝাল বাড়ায়, ভিটামিন সি থাকে |
কীভাবে আপনার ছাদ বাগানকে পোকামাকড় থেকে বাঁচাবেন?
কীভাবে আপনার ছাদ বাগানকে পোকামাকড় থেকে বাঁচাবেন?
পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে আপনার ছাদ বাগানকে বাঁচানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করলে আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।প্রথমত, আপনার গাছগুলোকে নিয়মিত পরীক্ষা করুন। পাতার নিচে বা গাছের ডালে কোনো পোকা আছে কিনা, সেটা দেখুন। যদি দেখেন, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।দ্বিতীয়ত, নিম তেল ব্যবহার করতে পারেন। নিম তেল পোকা-মাকড়ের জন্য খুব খারাপ, কিন্তু গাছের জন্য ভালো।তৃতীয়ত, জৈব কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে অনেক ধরনের জৈব কীটনাশক পাওয়া যায়, যা আপনার গাছের জন্য নিরাপদ।
জৈব কীটনাশক কিভাবে ব্যবহার করবেন?
জৈব কীটনাশক ব্যবহার করার আগে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। প্রথমত, কীটনাশকটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন।* তারপর, স্প্রে করার সময় খেয়াল রাখবেন, যেন গাছের সব অংশে লাগে।
* বিশেষ করে পাতার নিচে ভালো করে স্প্রে করুন।
* সকালে বা সন্ধ্যায় স্প্রে করা ভালো, কারণ তখন রোদ কম থাকে।কীভাবে সঠিক সার নির্বাচন করবেন?
কীভাবে সঠিক সার নির্বাচন করবেন?
সঠিক সার নির্বাচন করা আপনার গাছের জন্য খুবই জরুরি। সার গাছের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে, যা গাছকে সুস্থ ও সবল রাখতে সাহায্য করে।বাজারে দুই ধরনের সার পাওয়া যায় – জৈব সার ও রাসায়নিক সার। জৈব সার গাছের জন্য ভালো, কারণ এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়। রাসায়নিক সার দ্রুত কাজ করে, কিন্তু এটা পরিবেশের জন্য খারাপ।
জৈব সার কিভাবে তৈরি করবেন?
জৈব সার তৈরি করা খুব সহজ। আপনি আপনার বাড়ির আশেপাশে থাকা জিনিস দিয়ে জৈব সার তৈরি করতে পারেন।1. যেমন, রান্নাঘরের সবজির খোসা, ফলের খোসা, ডিমের খোসা – এইগুলো দিয়ে খুব সহজে জৈব সার তৈরি করা যায়।
2.
এগুলো একটা পাত্রে জমা করে রাখুন, তারপর এর সাথে মাটি মিশিয়ে কিছু দিন রেখে দিন।
3. কিছু দিন পর দেখবেন, এটা সারে পরিণত হয়েছে।ছাদ বাগানের জন্য জলের সঠিক নিয়ম
ছাদ বাগানের জন্য জলের সঠিক নিয়ম
ছাদ বাগানের জন্য জলের সঠিক নিয়ম জানা খুবই জরুরি। অতিরিক্ত জল যেমন গাছের জন্য খারাপ, তেমনই কম জলও গাছের ক্ষতি করতে পারে।সাধারণত, প্রতিদিন সকালে গাছে জল দেওয়া ভালো। তবে, গরমের দিনে দুবার জল দিতে পারেন।
কিভাবে বুঝবেন কখন জল দিতে হবে?
মাটি শুকিয়ে গেলে বুঝবেন গাছে জল দিতে হবে। মাটি ভেজা থাকলে জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই।* এছাড়াও, আপনি আঙুল দিয়ে মাটি পরীক্ষা করতে পারেন।
* যদি দেখেন মাটি শুকনো, তাহলে জল দিন।শহুরে কৃষিকাজে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার
শহুরে কৃষিকাজে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার
আজকাল শহুরে কৃষিকাজে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকাজকে আরও সহজ ও লাভজনক করা যায়।যেমন, স্মার্ট সেন্সর ব্যবহার করে আপনি আপনার গাছের মাটি, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা – এইগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।
স্মার্ট সেন্সর কিভাবে ব্যবহার করবেন?
স্মার্ট সেন্সর ব্যবহার করা খুব সহজ। এটা আপনার গাছের কাছে লাগিয়ে দিন, আর এটা থেকে পাওয়া তথ্য আপনার মোবাইল ফোনে দেখতে পারবেন।1. এই তথ্য ব্যবহার করে আপনি আপনার গাছকে সঠিক সময়ে জল দিতে পারবেন, সার দিতে পারবেন, এবং অন্যান্য যত্ন নিতে পারবেন।কমিউনিটির গুরুত্ব এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়
কমিউনিটির গুরুত্ব এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়
শহুরে কৃষিকাজ ব্যবস্থাপনার জন্য একটা ভালো কমিউনিটি থাকা খুবই দরকার। এখানে সবাই একসাথে শিখতে ও শেখাতে পারে।অভিজ্ঞ लोगজন তাদের অভিজ্ঞতা share করলে নতুনদের অনেক সুবিধা হয়। তারা জানতে পারে, কোন গাছ কিভাবে লাগাতে হয়, কিভাবে যত্ন নিতে হয়, এবং কিভাবে পোকা-মাকড় থেকে বাঁচাতে হয়।
কিভাবে একটা কমিউনিটিতে যোগ দেবেন?
আজকাল অনেক অনলাইন কমিউনিটি আছে, যেখানে আপনি যোগ দিতে পারেন। ফেসবুকে বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক গ্রুপ আছে, যেখানে শহুরে কৃষিকাজ নিয়ে আলোচনা হয়।1.
আপনি সেই গ্রুপগুলোতে যোগ দিতে পারেন, এবং আপনার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন।
2. এছাড়াও, আপনি আপনার অভিজ্ঞতা share করতে পারেন।নিজের উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে আয় করুন
নিজের উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে আয় করুন
যদি আপনার ছাদ বাগানে অনেক সবজি ফলে, তাহলে আপনি সেগুলো বিক্রি করে কিছু টাকা আয় করতে পারেন।আজকাল অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে, যেখানে আপনি আপনার উৎপাদিত সবজি বিক্রি করতে পারেন।
কিভাবে বিক্রি করবেন?
1. প্রথমত, আপনাকে একটা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে রেজিস্টার করতে হবে।
2. তারপর, আপনার সবজির ছবি তুলে সেগুলোর দাম লিখে আপলোড করতে হবে।
3.
যখন কেউ আপনার সবজি কিনবে, তখন আপনি সেটা তার কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।
4. এছাড়াও, আপনি আপনার আশেপাশে থাকা বন্ধুদের বা প্রতিবেশীদের কাছেও সবজি বিক্রি করতে পারেন।
শুরুটা কিভাবে করবেন, সেই নিয়ে কিছু টিপস
শহুরে কৃষিকাজ শুরু করার আগে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। প্রথমত, আপনার বাড়ির আশেপাশে কতটা জায়গা আছে, সেটা দেখা দরকার। ছাদ, বারান্দা, নাকি জানলার ধারে – কোথায় আপনি আপনার বাগান তৈরি করতে চান, সেটা ঠিক করতে হবে।তারপর আসে মাটি আর বীজের কথা। ভালো মানের মাটি আর বীজ আপনার বাগানকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। আজকাল অনেক নার্সারিতে ভালো মাটি আর বীজ পাওয়া যায়। আপনি চাইলে অনলাইন থেকেও অর্ডার করতে পারেন।আর হ্যাঁ, শুরুটা সবসময় ছোট করে করাই ভালো। প্রথমে অল্প কিছু গাছ দিয়ে শুরু করুন। যখন দেখবেন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে, তখন ধীরে ধীরে গাছের সংখ্যা বাড়াতে পারেন।
কোন গাছগুলো দিয়ে শুরু করা ভালো?
শুরুতে কিছু সহজ গাছ দিয়ে শুরু করা ভালো। যেমন, পুদিনা, ধনে, টমেটো, লঙ্কা – এইগুলো খুব সহজে বেড়ে ওঠে।* পুদিনা: পুদিনা গাছ খুব সহজে লাগাতে পারেন। এর জন্য তেমন কোনো যত্নেরও প্রয়োজন হয় না।
* ধনে: ধনে গাছও খুব সহজে বেড়ে ওঠে। এটা প্রায় সব রান্নাতেই লাগে।
* টমেটো: টমেটো গাছ একটু বেশি যত্নের প্রয়োজন হয়, তবে এটা লাগাতে পারলে খুব ভালো লাগে।
* লঙ্কা: লঙ্কা গাছও খুব সহজে বেড়ে ওঠে। এটা আপনার রান্নাকে আরও স্পাইসি করে তুলবে।
| গাছের নাম | যত্নের প্রয়োজন | উপকারিতা |
|---|---|---|
| পুদিনা | কম | হজম ক্ষমতা বাড়ায়, রান্নায় ব্যবহার করা যায় |
| ধনে | কম | রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ভিটামিন সি থাকে |
| টমেটো | মাঝারি | ভিটামিন ও মিনারেলস আছে, সালাদে ব্যবহার করা যায় |
| লঙ্কা | কম | রান্নায় ঝাল বাড়ায়, ভিটামিন সি থাকে |
কীভাবে আপনার ছাদ বাগানকে পোকামাকড় থেকে বাঁচাবেন?
পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে আপনার ছাদ বাগানকে বাঁচানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করলে আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।প্রথমত, আপনার গাছগুলোকে নিয়মিত পরীক্ষা করুন। পাতার নিচে বা গাছের ডালে কোনো পোকা আছে কিনা, সেটা দেখুন। যদি দেখেন, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।দ্বিতীয়ত, নিম তেল ব্যবহার করতে পারেন। নিম তেল পোকা-মাকড়ের জন্য খুব খারাপ, কিন্তু গাছের জন্য ভালো।তৃতীয়ত, জৈব কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে অনেক ধরনের জৈব কীটনাশক পাওয়া যায়, যা আপনার গাছের জন্য নিরাপদ।
জৈব কীটনাশক কিভাবে ব্যবহার করবেন?
জৈব কীটনাশক ব্যবহার করার আগে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। প্রথমত, কীটনাশকটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন।* তারপর, স্প্রে করার সময় খেয়াল রাখবেন, যেন গাছের সব অংশে লাগে।
* বিশেষ করে পাতার নিচে ভালো করে স্প্রে করুন।
* সকালে বা সন্ধ্যায় স্প্রে করা ভালো, কারণ তখন রোদ কম থাকে।
কীভাবে সঠিক সার নির্বাচন করবেন?
সঠিক সার নির্বাচন করা আপনার গাছের জন্য খুবই জরুরি। সার গাছের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে, যা গাছকে সুস্থ ও সবল রাখতে সাহায্য করে।বাজারে দুই ধরনের সার পাওয়া যায় – জৈব সার ও রাসায়নিক সার। জৈব সার গাছের জন্য ভালো, কারণ এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়। রাসায়নিক সার দ্রুত কাজ করে, কিন্তু এটা পরিবেশের জন্য খারাপ।
জৈব সার কিভাবে তৈরি করবেন?
জৈব সার তৈরি করা খুব সহজ। আপনি আপনার বাড়ির আশেপাশে থাকা জিনিস দিয়ে জৈব সার তৈরি করতে পারেন।1. যেমন, রান্নাঘরের সবজির খোসা, ফলের খোসা, ডিমের খোসা – এইগুলো দিয়ে খুব সহজে জৈব সার তৈরি করা যায়।
2.
এগুলো একটা পাত্রে জমা করে রাখুন, তারপর এর সাথে মাটি মিশিয়ে কিছু দিন রেখে দিন।
3. কিছু দিন পর দেখবেন, এটা সারে পরিণত হয়েছে।
ছাদ বাগানের জন্য জলের সঠিক নিয়ম
ছাদ বাগানের জন্য জলের সঠিক নিয়ম জানা খুবই জরুরি। অতিরিক্ত জল যেমন গাছের জন্য খারাপ, তেমনই কম জলও গাছের ক্ষতি করতে পারে।সাধারণত, প্রতিদিন সকালে গাছে জল দেওয়া ভালো। তবে, গরমের দিনে দুবার জল দিতে পারেন।
কিভাবে বুঝবেন কখন জল দিতে হবে?
মাটি শুকিয়ে গেলে বুঝবেন গাছে জল দিতে হবে। মাটি ভেজা থাকলে জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই।* এছাড়াও, আপনি আঙুল দিয়ে মাটি পরীক্ষা করতে পারেন।
* যদি দেখেন মাটি শুকনো, তাহলে জল দিন।
শহুরে কৃষিকাজে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার
আজকাল শহুরে কৃষিকাজে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকাজকে আরও সহজ ও লাভজনক করা যায়।যেমন, স্মার্ট সেন্সর ব্যবহার করে আপনি আপনার গাছের মাটি, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা – এইগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।
স্মার্ট সেন্সর কিভাবে ব্যবহার করবেন?
স্মার্ট সেন্সর ব্যবহার করা খুব সহজ। এটা আপনার গাছের কাছে লাগিয়ে দিন, আর এটা থেকে পাওয়া তথ্য আপনার মোবাইল ফোনে দেখতে পারবেন।1. এই তথ্য ব্যবহার করে আপনি আপনার গাছকে সঠিক সময়ে জল দিতে পারবেন, সার দিতে পারবেন, এবং অন্যান্য যত্ন নিতে পারবেন।
কমিউনিটির গুরুত্ব এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়
শহুরে কৃষিকাজ ব্যবস্থাপনার জন্য একটা ভালো কমিউনিটি থাকা খুবই দরকার। এখানে সবাই একসাথে শিখতে ও শেখাতে পারে।অভিজ্ঞ लोगজন তাদের অভিজ্ঞতা share করলে নতুনদের অনেক সুবিধা হয়। তারা জানতে পারে, কোন গাছ কিভাবে লাগাতে হয়, কিভাবে যত্ন নিতে হয়, এবং কিভাবে পোকা-মাকড় থেকে বাঁচাতে হয়।
কিভাবে একটা কমিউনিটিতে যোগ দেবেন?
আজকাল অনেক অনলাইন কমিউনিটি আছে, যেখানে আপনি যোগ দিতে পারেন। ফেসবুকে বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক গ্রুপ আছে, যেখানে শহুরে কৃষিকাজ নিয়ে আলোচনা হয়।1.
আপনি সেই গ্রুপগুলোতে যোগ দিতে পারেন, এবং আপনার প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন।
2. এছাড়াও, আপনি আপনার অভিজ্ঞতা share করতে পারেন।
নিজের উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে আয় করুন
যদি আপনার ছাদ বাগানে অনেক সবজি ফলে, তাহলে আপনি সেগুলো বিক্রি করে কিছু টাকা আয় করতে পারেন।আজকাল অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে, যেখানে আপনি আপনার উৎপাদিত সবজি বিক্রি করতে পারেন।
কিভাবে বিক্রি করবেন?
1. প্রথমত, আপনাকে একটা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে রেজিস্টার করতে হবে।
2. তারপর, আপনার সবজির ছবি তুলে সেগুলোর দাম লিখে আপলোড করতে হবে।
3.
যখন কেউ আপনার সবজি কিনবে, তখন আপনি সেটা তার কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।
4. এছাড়াও, আপনি আপনার আশেপাশে থাকা বন্ধুদের বা প্রতিবেশীদের কাছেও সবজি বিক্রি করতে পারেন।
লেখাটি শেষ করে
আশা করি, এই ব্লগ পোস্টটি আপনাকে শহুরে কৃষিকাজ শুরু করতে সাহায্য করবে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে নির্দ্বিধায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার ছাদ বাগান সবুজে ভরে উঠুক, এই কামনা করি। শুভ কামনা!
দরকারী কিছু তথ্য
১. বীজ কেনার সময় ভালো মানের বীজ কিনুন।
২. মাটি তৈরি করার সময় জৈব সার ব্যবহার করুন।
৩. গাছে নিয়মিত জল দিন, তবে অতিরিক্ত জল দেবেন না।
৪. পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে গাছকে রক্ষা করুন।
৫. ধৈর্য ধরে গাছের যত্ন নিন, ফল অবশ্যই পাবেন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সংক্ষিপ্তসার
শহুরে কৃষিকাজ শুরু করতে সঠিক পরিকল্পনা, ভালো মানের বীজ ও মাটি, নিয়মিত যত্ন এবং পোকা-মাকড় থেকে সুরক্ষা প্রয়োজন। একটি শক্তিশালী কমিউনিটি তৈরি করে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা এবং উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে আয় করাও সম্ভব। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকাজকে আরও সহজ ও লাভজনক করা যায়।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) 📖
প্র: ছাদবাগানে কি ধরনের মাটি ব্যবহার করা উচিত?
উ: দেখুন, ছাদবাগানের জন্য মাটি তৈরি করাটা খুব জরুরি। আমি বলব, দোআঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো। এর সাথে জৈব সার, যেমন ভার্মিকম্পোস্ট বা গোবর সার মেশালে মাটিটা আরও fertile হবে। আর হ্যাঁ, নিষ্কাশনের জন্য কিছু বালি মেশাতে পারেন, যাতে গাছের গোড়ায় জল না জমে। আমি নিজে ট্রাইকোডার্মা মিশ্রণ ব্যবহার করি, এটা মাটিবাহিত রোগ থেকে গাছকে বাঁচায়।
প্র: কীটনাশক ব্যবহার না করে কিভাবে পোকামাকড় দমন করা যায়?
উ: কীটনাশক জিনিসটা আমার একদম পছন্দ না। আমি চেষ্টা করি প্রাকৃতিক উপায়ে পোকামাকড় তাড়াতে। নিম তেল স্প্রে করাটা খুব ভালো কাজ দেয়। এছাড়া, হলুদ আর রসুনের পেস্ট তৈরি করে স্প্রে করলেও অনেক পোকামাকড় দূর হয়। আর একটা টিপস দিই, কিছু উপকারী পোকা, যেমন লেডিবাগ, আপনার বাগানে ছাড়লে ওরা ক্ষতিকর পোকাগুলো খেয়ে নেয়। এটা আমি নিজের বাগানে করে দেখেছি, দারুণ কাজ দেয়!
প্র: শীতকালে ছাদবাগানের গাছের বিশেষ যত্ন কিভাবে নেব?
উ: শীতকালে একটু বাড়তি যত্ন নিতে হয়, বুঝলেন? ঠান্ডায় গাছের গ্রোথ কমে যায়। তাই নিয়মিত জল দেওয়াটা খুব জরুরি, তবে খেয়াল রাখবেন যেন গোড়ায় জল না জমে থাকে। আর হ্যাঁ, শীতের শুরুতে গাছের গোড়ায় কিছু জৈব সার দিন, যাতে গাছ পুষ্টি পায়। আমি আমার ছাদবাগানের গাছগুলোকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিই, যাতে frost থেকে বাঁচাতে পারি। আর মাঝে মাঝে রোদ পোহাতে দিতে ভুলবেন না!
📚 তথ্যসূত্র
Wikipedia Encyclopedia






